ঢাকা, বুধবার, ফেব্রুয়ারী ২১, ২০১৮

সংবাদ শিরোনাম 

প্রধানমন্ত্রী : বাংলার যথাযথ ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ   |   খেলাধুলার সংবাদ : নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় টি-২০ সিরিজের শিরোপা জিতল অস্ট্রেলিয়া *চ্যাম্পিয়ন্স লিগ : মেসির প্রথম গোলে রক্ষা পেল বার্সেলোনা   |    জাতীয় সংবাদ : বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ভাষা শহীদদের স্মরণ করেছে জাতি *বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা দেয়ার দাবি জানিয়েছেন ওবায়দুল কাদের *আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করলে কঠোর হস্তে দমন করা হবে : তোফায়েল   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : সিরিয়ার পূর্ব গৌতায় সহিংসতায় জাতিসংঘ প্রধানের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ * জাপান সাগর আকাশে টহল রাশিয়ার যুদ্ধবিমানের   |   

পিরোজপুরে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৩টি বীর নিবাস নির্মাণ

পিরোজপুর, ১২ জানুয়ারি ২০১৭ (বাসস): প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বীর নিবাস তৈরি করে পিরোজপুরে ইতোমধ্যেই ৩৯টি হস্তান্তর করা হয়েছে। ২টি বীর নিবাসের নির্মাণ কাজ চলছে এবং আগামী মাসেই এ কাজ সম্পন্ন হবে। এছাড়া আরও ২টির কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যা চলতি ২০১৭ সালে সম্পন্ন হবে বলে জানা গেছে।
ভূমিহীন ও অস্বচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বাসস্থান নির্মাণের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সারাদেশে ২ হাজার ৯শত ৭১টি বাসগৃহ নির্মাণ কাজ শুরু করেছে। এ বাসভবন নির্মাণের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২শত ৭১ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা। এরই ধারাবাহিকতায় পিরোজপুরে ৪৩টি বীর নিবাস নির্মাণের কাজ শুরু হয়। পিরোজপুরের প্রতিটি বীর নিবাস ভবন নির্মাণে ৯ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা করে ৪৩টির জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয় ৩ কোটি ২ লক্ষ টাকা। পিরোজপুর সদরে ৭টি ভান্ডারিয়ায় ৬টি, কাউখালীতে ৪টি, নাজিরপুরে ৭টি, নেছারাবাদে ৭টি, মঠবাড়িয়ায় ৮টি এবং ইন্দুরকানীতে ২টি বীর নিবাস এর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ায় ইতোমধ্যেই তা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং তারা এ বীর নিবাসে বসবাস শুরু করেছেন। প্রতিটি এক-তলাবিশিষ্ট বাসস্থানে ৩টি কক্ষ রয়েছে। বারান্দাসহ আলাদা বাথরুম, গবাদি পশু ও হাসমুরগী পালনের জন্য সেড নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি বীর নিবাসে একটি করে টিউবওয়েল বসানো হয়েছে।
পিরোজপুরের এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রফিকুল হাসান বাসসকে জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরের জেলা উপজেলাসহ দেশের প্রত্যন্ত এলাকা পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে চান বলেই অস্বচ্ছল ও ভূমিহীন মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বীর নিবাস তৈরির পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছেন এবং এলজিইডি এই নির্দেশনা অনুযায়ী ভবন নির্মাণ করছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের পান্তাডুবি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মান্নান দরানী জানান, মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বসত ঘরটি রাজাকার আলবদর ও পাকবাহিনী পুড়িয়ে দেয়। কখনও পাকা ভবন তৈরি করে বসবাস করতে পারবেন- তিনি আশা করেননি। বর্তমান সরকার একটি পাকা ভবন তৈরি করে তাকে বসবাসের সুযোগ করে দেওয়ায় তিনি অভিভূত হয়েছেন।