ঢাকা, মঙ্গলবার, মে ২৩, ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম 

জাতীয় সংবাদ : ভোট কারচুপি করতে পারবে না বলেই বিএনপি ইভিএম পদ্ধতি বাতিলের দাবি জানিয়েছে : হানিফ * সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বদলে দিলো ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর হতদরিদ্রদের জীবন *   |   আবহাওয়া : দেশের কোথাও কোথাও ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : ম্যানচেস্টারে বিস্ফোরণ: নিহত ১৯, আহত অর্ধশতাধিক   |   প্রধানমন্ত্রী : প্রধানমন্ত্রীর পবিত্র উমরাহ্ পালন   |    বিভাগীয় সংবাদ : নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পেড়লী ও পাঁচগ্রাম ইউপির ভোটগ্রহণ চলছে * নাটোর প্রেসক্লাবের ৪০ বছর পূর্তিতে সাবেক নেতৃবৃন্দকে সম্মাননা প্রদান * আজ লোহাগড়ার ইতনা গণহত্যা দিবস   |   প্রধানমন্ত্রী : প্রধানমন্ত্রীর পবিত্র উমরাহ্ পালন   |   

হবিগঞ্জের নিজামপুর ইউনিয়ন টর্ণেডোতে লন্ডভন্ড

হবিগঞ্জ, ২১ এপ্রিল, ২০১৭ (বাসস) : জেলার সদর উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নে টর্ণেডোতে লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে আসা এ টর্ণেডো ইউনিয়নের ১২টি গ্রামের ৫ শতাধিক ঘর-বাড়ী ধ্বংস করে দিয়েছে। মাঠের ফসল ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অসহায় লোকজন এখন খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুক্রবার দুপুরে ৫ টন চাউল বিতরণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে জেলার বিভিন্ন স্থানে প্রচন্ড বৃষ্টি এবং ঝড় তুফান বইতে থাকে। রাত দেড়টার দিকে সদর উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নে টর্ণেডো আঘাত হানে। এতে করে সুকড়ী পাড়া, শরীপপুর, বলবার চক, খালপার, এতবারপুর, উত্তর বড়চর, কালার চক, নিতাইর চক ও পূর্ব কাটাখালীসহ ১২টি গ্রামে ব্যাপক ক্ষতি হয়।
নিজামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাজ উদ্দিন জানান, টর্ণেডোতে তার ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মানুষের ঘর-বাড়ী এবং ফসলের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। মেম্বাররা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করছেন।
হবিগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম আজহারুল ইসলাম জানান, নিজামপুর ইউনিয়নে টর্ণেডোতে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা তিনি এবং ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সফিউল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক এমরান হোসেন পরিদর্শন করেছেন। প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ৫ টন চাউল বিতরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আরও সহায়তা করা হবে।
এদিকে ঝড় ও বৃষ্টিতে হবিগঞ্জ জেলায় প্রায় ১২ ঘন্টা বিদ্যুৎ বিহীন ছিল। হবিগঞ্জ শহরে বিদ্যুত আসলেও অনেক এলাকা এখনও বিদ্যুৎ বিহীন। বৃষ্টিতে শহরের অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। হাওড়ে নতুন করে এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ফলে বোরো ধানের ক্ষতি আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে বৃষ্টির কারণে নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। খোয়াই নদীর পানি ভারতীয় সীমান্তের বাল্লা এলাকায় ইতোমধ্যে বিপদ সীমা অতিক্রম করেছে।