ঢাকা, সোমবার, অক্টোবর ২৩, ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম 

প্রধানমন্ত্রী : ত্রাণ তহবিলে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান গ্রহণ    |   বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি : নাটোরে ই-সেবা সম্পর্কিত প্রেস ব্রিফিং   |   শিক্ষা : জয়পুরহাটের হাবিবুর বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ কাব শিক্ষক নির্বাচিত   |   খেলাধুলার সংবাদ : পাকিস্তান সফরে যাবে না লংকান কোচ   |    বিভাগীয় সংবাদ : নারায়ণগঞ্জে দেয়াল চাপায় তিন বোন নিহত * জয়পুরহাটে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণে ১ হাজার ১৭৮টি প্রকল্প বাস্তবায়ন *নিষেধাজ্ঞা শেষ : পদ্মা মেঘনায় ইলিশ ধরা শুরু *কচা নদীর ওপর নির্মিত হবে বেকুটিয়া সেতু   |   আবহাওয়া : সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : নাইজেরিয়ায় ত্রয়ী আত্মঘাতী হামলায় ১৩ জন নিহত *জাপানে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে ২ জনের প্রাণহানি * উত্তর কোরিয়াকে মোকাবেলার দৃঢ় অঙ্গীকার অ্যাবের * আফগান-ন্যাটো যৌথ অভিযানে ৫ জঙ্গি নিহত ও আহত ১৩   |    জাতীয় সংবাদ : জামায়াত নেতা আজিজসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে রায় যে কোন দিন *সৈয়দ আশরাফে সহধর্মিনীর ইন্তেকাল    |   

ঝালকাঠিতে ২০ লাখ মানুষের স্বপ্নের আমুয়া সেতু উদ্বোধনের অপেক্ষায়

ঝালকাঠি, ১২ অক্টোবর, ২০১৭ (বাসস) : প্রায় ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার আমুয়া বন্দরে হলতা নদীর ওপর নির্মাণ করা হয়েছে আমুয়া সেতু। সেতুটি উদ্বোধন হলে কাঠালিয়া উপজেলার দেড় লাখ মানুষের সাথে বরগুনা সদর, বামনা, পাথরঘাটা, মঠবাড়িয়া, বেতাগী, মির্জাগঞ্জ ও বাখরগঞ্জ উপজেলার প্রায় ২০ লাখ মানুষ উপকৃত হবে। সহজ হবে এ অঞ্চলের মানুষের খুলনা জেলার সাথে যোগাযোগ। ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগ এ সেতুর নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করেছে।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগ কার্যালয় (সওজ) সূত্র জানায়, ২০১৩ সালের জুন মাসে কাঠালিয়া উপজেলার আমুয়া বন্দরের কাছে হলতা নদীর ওপর ৩৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে আমুয়া সেতু নির্মাণের জন্য মেসার্স মাহফুজ খান নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ২১৭.৬৮ মিটার। প্রস্থ ২৪ ফুট। সংযোগ সড়কের দৈর্ঘ্য ২.২০ কিলোমিটার। তিন বছর পর গত ২০১৬ সালের জুন মাসে সেতুটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ঠিকাদার সেতু নির্মাণের পর সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেছে। সেতুটি নির্মাণ প্রকল্প ছিল প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের অন্তভুক্ত।
কাঠালিয়া উপজেলা আমুয়া শহীদ রাজা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক আব্দুল হালিম বলেন, স্বাধীনতার পর এ অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি ছিল হলতা নদীর ওপর সেতু নির্মাণ। সেতুটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলে আমরা ফেরী বা খেয়া ছাড়াই পায়ে হেঁটে এপার-ওপার যাওয়া আসা করতে পারবো।
কাঠালিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল আলম জানান, আমুয়া সেতুতে যানবাহন চলাচল শুরু হলে বরগুনা, পটুয়ায়াখালী, বামনা, পাথরঘাটা, মঠবাড়িয়া, বেতাগীর মানুষের খুলনা এবং ঝালকাঠির সাথে যাতায়াত সহজ হবে। সময় এবং অর্থ দুই বাঁচবে।
ঝালকাঠি ১ আসনের সংসদ সদস্য বজলুল হক হারুন বলেন, আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর আমুয়া বন্দরে হলতা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের ওয়াদা করেছিলাম। প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকারভুক্ত প্রকল্প হিসেবে আমুয়া সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ায় আমি মহান আল্লাহতালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করছি। আশা করি খুব শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি অথবা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুটির উদ্বোধন করবেন।