ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭

সংবাদ শিরোনাম 

আন্তর্জাতিক সংবাদ : অং সান সু চি বালিতে মাথা গুঁজে আছেন : অ্যামনেস্টি   |   খেলাধুলার সংবাদ : লয়েডকে পেছনে ফেরে সেরা অধিনায়ক কোহলি * কনটের অধীনে এক সপ্তাহের অনুশীলনেই আমার উন্নতি হয়েছে : হ্যাজার্ড * পেনাল্টি নিয়ে ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্বে পিএসজি তারকা নেইমার ও কাভানি   |    জাতীয় সংবাদ : নবায়নযোগ্যের চেয়ে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ কম : বিশেষজ্ঞ * নবম ওয়েজ বোর্ডের দাবি আদায়ে বিএফইউজে ও ডিইউজের অনশন সফল করার আহবান * সততা ও কর্মনিষ্ঠার যোগফল শুদ্ধাচার : তথ্যসচিব   |    জাতীয় সংবাদ : সিপিএর ঢাকা সম্মেলন সংসদীয় গণতন্ত্র বিকাশ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে : শিরীন শারমিন * দেশে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের স্থান নেই : শিল্পমন্ত্রী   |   বিনোদন ও শিল্পকলা : বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা গানের এ্যালবাম প্রকাশ করা হলো না শিল্পী আব্দুল জব্বারের * শ্রমিক আওয়াজ নেপালে এশিয়া ফিল্ম উৎসবে যাচ্ছে   |   প্রধানমন্ত্রী : অর্থনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে সরকার শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দিয়েছে : প্রধানমন্ত্রী   |    জাতীয় সংবাদ : ওইআর সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী * ভিন্ন নদ-নদীর ৬২ পয়েন্টে পানি হ্রাস পেয়েছে *চিকিৎসা ক্ষেত্রে ডাক্তার-রোগীর সম্পর্কের উন্নয়ন জরুরি : উপাচার্য * কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সভা বৃহস্পতিবার * দেশের বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত   |   প্রধানমন্ত্রী : যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে : ট্রাম্প * হাসিনা-মাহমুদ আব্বাস বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যু আলোচনা * শান্তিরক্ষী বাহিনীতে যৌন নির্যাতন বন্ধে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত প্রধানমন্ত্রীর   |    আন্তর্জাতিক সংবাদ : জাতিসংঘে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিসির সাক্ষাত * ফ্লোরিডায় ইরমার আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০ জনে * যে কোন সময় শরণার্থী পরিস্থিতি যাচাইয়ে প্রস্তুত মিয়ানমার : সুকি * ইরাকের একটি রেস্টুরেন্টে বোমা হামলায় নিহত ৩   |   

ষোড়শ সংশোধনী মামলার রায় কারো কাছেই গ্রহণযোগ্যতা পায়নি : প্রধানমন্ত্রী

সংসদ ভবন, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ (বাসস) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সংসদ নেতা বুধবার দেশের গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী মামলার রায় কারো কাছেই গ্রহণযোগ্যতা পায়নি।
তিনি গতকাল জাতীয় সংসদে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের জন্য আনিত প্রস্তাবের সমর্থনে প্রদত্ত বক্তৃতায় একথা বলেন।
প্রধান বিচারপতির উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রায়ে সংসদকে এভাবে হেয় প্রতিপন্ন করা, মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে হেয় করা বা তাঁর ক্ষমতা কেড়ে নেয়ার চেষ্টা, জাতির পিতার সম্পর্কে কথা বলা বা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম বা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রশ্ন তোলা- এটাতো একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে বা একজন স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে কারো কাছেই গ্রহণযোগ্য নয়।
শেখ হাসিনা বলেন, কাজেই যে রায় দেয়া হয়েছে, তা কারো কাছেই গ্রহণযোগ্যতা পায়নি।
উনি (প্রধান বিচারপতি) তার রায়ে আর একটি বিষয় উল্লেখ করেছেন, কেবিনেট যেভাবে সিদ্ধান্ত নেয় সেভাবে নাকি সংসদ চলে।
সরকার প্রধান বলেন, এটা সম্পূর্ণ ভুল ব্যাখ্যা সংসদ চলে সংবিধান মোতাবেক এবং সংসদ কিভাবে চলবে সেখানে তার কার্যপ্রণালী বিধিও দেয়া রয়েছে। আর এই কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী কার্যউপদেষ্টা কমিটি রয়েছে। যার সভাপতিত্ব করেন স্পিকার। সংসদ কতদিন চলবে, কি কি আলোচনা হবে- তার সবকিছুই কার্যউপদেষ্টা কমিটিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কাজেই এখানে কেবিনেটের কোন ভূমিকাই নেই। মানে উনি এই বিবিধ ধরনের কথা বলতে গিয়ে নিজেকেও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রধান বিচারপতি আমাদের পার্লামেন্ট, গণতন্ত্র- সবকিছুকেই একটি প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। কাজেই এখানে তার উদ্দেশ্য কি সেটাই আমার প্রশ্ন।
শেখ হাসিনা বলেন, কাজেই আমি এটুকুই বলতে চাই যে, এই সংসদই সার্বভৌম এবং পার্লামেন্টই সংবিধান রচনা করে। পার্লামেন্টই জনগণের অধিকার সুরক্ষিত করে এবং এই পার্লামেন্ট গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করে।
তিনি বলেন, আর এই পার্লামেন্ট যে আইন পাস করে সেই আইন দ্বারাই বিচার বিভাগ এবং নির্বাহী বিভাগ চলে। আইন সভা, বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগ এই তিনটিই ওই আইনের দ্বারাই চলে যে আইন সংসদ তৈরি করে দেয়।
রায়ের পর বিএনপির মিষ্টি বিতরণের ঘটনায় হতবাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেখলাম- বিএনপি খুবই উৎফুল্ল হলো, মিষ্টি বিতরণ করলো। তার একটাই কারণ হতে পারে, ওই রায়তেই আবার তাদের মার্শাল ল দেয়া, অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল-এগুলোও কিন্তু বলা রয়েছে।
এটাও বলা রয়েছে, জিয়া মার্শাল ল দিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিল এবং এটা যে ব্যানানা রিপাবলিক করেছিল, সেটাও কিন্তু বলা আছে। তাই এতোদিন পর আমাদের কথাই মেনে নিয়ে তারা মনে হয় ওইটা দেখেই খুশি হয়ে গেছে। অথবা তারা রায় ভালোভাবে দেখেননি বা পড়েননি।
তিনি বলেন, সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল মার্শাল ল দ্বারা করা এবং সেটাকেই ফিরিয়ে আনাতেই তারা উৎফুল্ল। অর্থাৎ যেটা উচ্চ আদালতের রায় মার্শাল ল দিয়ে যা যা করা হয়েছে, তা অবৈধ। এই অবৈধ জিনিসকে যখন বৈধতা দিতে গেছে, তখন ওইটুকুতেই তারা খুশি হয়ে গেছে, বাকিটা আর দেখেনি।
গণতন্ত্রকে সমুন্নত রাখার আহবান পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রকে আমাদের সমুন্নত রাখতে হবে। জনগণের যে অধিকার এবং ভোটের অধিকার তাকে সমুন্নত রাখতে হবে। গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ছাড়া দেশের উন্নতি হয় না। তাই এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে হবে। সে লক্ষ্যেই আজকে এই সংসদ জনগণের আশা-আকাঙ্খা পরিপূরণ করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সংবিধানের ৭ম অনুচ্ছেদের প্রজাতন্ত্রের মালিক করা হয়েছে এই জনগণকে।

সম্পর্কিত সংবাদ