শিরোনাম
ঢাকা, ৩ এপ্রিল, ২০২৫ (বাসস) : মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে। এদিকে গত ২৮ মার্চ শুক্রবারের ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে তিন হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানির পর ত্রাণ কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সেনাবাহিনী দেশটির গৃহযুদ্ধে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছে। ক্ষমতাসীন জান্তা সরকার বৃহস্পতিবার এই কথা জানিয়েছে।
ইয়াঙ্গুন থেকে এএফপি এই খবর জানায়।
জান্তা সরকারের এক মুখপাত্র এক বিবৃতিতে ভয়াবহ ভূমিকম্পের ৫ দিন পর ৩ হাজর ৮৫ জন নিহত, ৩শ’ ৪১ জন নিখেঁজ ও ৪ হাজার ৭শ’ ১৫ জন নিখোঁজের খবর নিশ্চিত করেছেন।
মুখপাত্র ঝাউ মিন তুন আরো জানিয়েছেন, ১৭টি দেশ থেকে উদ্ধারকমী ও সহায়তা কর্মী এবং এই পর্যন্ত এক হাজার টন ত্রাণ সামগ্রী এসেছে।
এদিকে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এমআরটিভিতে সামরিক বাহিনীর হাইকমান্ডের সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণাটি সম্প্রচার হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি ২২ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এবং গেল এএফপি বলেছে, সামরিক শাসনবিরোধী সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর একতরফা অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর জান্তার পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেয়া হলো।
মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই গোষ্ঠীগুলোকে রাষ্ট্রের ওপর আক্রমণ করা বা পুনরায় সংগঠিত হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে, অন্যথায় সেনাবাহিনী ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেবে।
এদিকে, বুধবার সকালের দিকে উদ্ধারকারীরা ভূমিকম্পের ৫ দিন পর মিয়ানমারের রাজধানীতে একটি হোটেলের ধ্বংসাবশেষ থেকে দু’জনকে এবং অন্য একটি শহরের একটি গেস্টহাউস থেকে তৃতীয় একজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও বেশিরভাগ দল কেবল মৃতদেহই খুঁজে পাচ্ছে।
এমআরটিভি জানিয়েছে, গেল শুক্রবার দুপুরে মিয়ানমারে আঘাত হানা ভূমিকম্পে বহু ভবন, সেতু এবং রাস্তাঘাট ধসে যায়। এতে বুধবার পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৮৫ জনে দাঁড়িয়েছে, আহত হয়েছেন সাড়ে চার হাজারের বেশি মানুষ।
তবে স্থানীয় প্রতিবেদনে হতাহতের সংখ্যা আরো বেশি বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।